ময়মনসিংহ ট্যাক্স বারের সভাপতি-সম্পাদকের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে এসে হাইকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাদিক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সজল হোসেন (রতন)। পরে আদালত তাদেরকে একই বারের তিন সদস্যের ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আর আদালতের আদেশ অবমাননা করা হবে না মর্মে বারের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে অ্যাফিডেবিট আকারে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আদালত আগামী ৩১ আগস্ট আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন।

তলবাদেশে হাজির হওয়ার পর রবিবার (২৮ আগস্ট) বিচারপতি জাফর আহম্মেদ ও বিচারপতি আক্তারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের এসব আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের ৩ প্রাক্টিশনারের সদস্যপদ স্থগিত করলে তারা হাইকোর্ট রিট আবেদন দায়ের করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জাফর আহম্মেদ ও বিচারপতি জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে স্থগিতাদেশ সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেন।

তবে সেই নির্দেশ অমান্য করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে জড়িতদের কেন শাস্তি প্রদান করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করার নির্দেশ দেন আদালত। গত ৪ আগস্ট বিচারপতি জাফর আহম্মেদ ও বিচারপতি আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন। তবে তারা কেউ আদালতে হাজির হয়নি।

এরপর গত ২১ আগস্ট হাইকোর্ট তার আদেশে আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা জানাতে ময়মনসিংহ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে হাজির করতে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার  এবং কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সেই আদেশের ধারাবাহিকতায় এই দুই ব্যক্তি হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।