মন্ত্রণালয় ও প্রকল্পের কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা ও দুর্নীতির কারণে বেনারসি শ্রমিকদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। তিনি বলেন ‘বেনারসি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে তাঁত শ্রমিকরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে তাঁত শিল্পকে নানাভাবে বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনও কিছু সুবিধাবাদী লোক এই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে আবারও কাজ করবো। বেনারসি শ্রমিকদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করবো।’
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বেনারসি পল্লী তাঁতি বাস্তবায়ন সমিতি আয়োজিত এক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের কষ্ট হয় এমন কাজ প্রধানমন্ত্রী কখনোই করেননি। যখনই বিশ্বে নিত্যপণ্যের দাম কমেছে, তখনই তিনি দাম কমিয়ে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা কখনও জনগণের অকল্যাণ হয়– এমন কাজ করবেন না।’
বেনারসি পল্লী তাঁতি বাস্তবায়ন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘বেনারসি প্রকল্পে ৯০৬টি প্লট বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব থাকায় আমাদের বেনারসি পল্লী তাঁতি বাস্তবায়ন সমিতির সদস্যদের মাঝে ন্যূনতম একটি করে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তাঁত বোর্ডের অধীনে বেনারসি প্রকল্পের অধীন কোনও উচ্চ পদের কর্মকর্তার মাধ্যমে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি না হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করছি।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন– সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুল হক আক্কাস, তাইজুল ইসলামসহ বেনারসি শ্রমিক নেতারা।