জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদের হত্যা মামলায় আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ ৯ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো। পরবর্তী শুনানির জন্য ১৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে মামলাটি অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন তিন আসামি মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, শেখ আব্দুল্লাহ জুবায়ের ও আরাফাত রহমান সম্প্রতি আদালত থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের মামলায় রিমান্ডে থাকায় তাদের আদালতে হাজির করা হয়নি। এ জন্য বিচারক পরবর্তী শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুনাল থেকে এসব তথ্য জানান গেছে।
২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মেসে ফেরার পথে লক্ষ্মীবাজারের একরামপুর মোড়ে ব্লগার নাজিমুদ্দিনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ ঘটনায় পরদিন সূত্রাপুর থানার এসআই মো. নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর ২০২০ সালের ২০ আগস্ট বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হক জিয়াসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।
মামলার অপর আসামিরা হলেন– আকরাম হোসেন, মো. ওয়ালিউল্লাহ ওরফে ওলি ওরফে তাহেব ওরফে তাহসিন, সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে আকাশ ওরফে কনিক, মাওলানা জুনেদ আহাম্মেদ ওরফে সাব্বির ওরফে জুনায়েদ ওরফে তাহের, রশিদুন নবী ভূঁইয়া ওরফে টিপু ওরফে রাসেল ওরফে রফিক ওরফে রায়হান, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, মো. আরাফাত রহমান ও মো. শেখ আব্দুল্লাহ।