বিএনপি ও তার সহযোগীরা অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতায় যেতে চাইছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা, গুণীজন সংবর্ধনা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও দৈনিক ভোরের আকাশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি ও দৈনিক ভোরের আকাশ-এর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন ঘোষালের সভাপতিত্বে ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন— বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল, সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহসভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর আলম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরী, সহসভাপতি রোকেয়া প্রাচী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারিন জাহান প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট আইনজীবী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক কামরুন নাহার বেগম, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান ও নাট্যব্যক্তিত্ব লাকী ইনাম ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন মন্ত্রী।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যারা নতুন করে নির্বাচিত হয়ে আসবে, তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে নির্বাচিত সরকার— এটা সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। বিএনপি ও তাদের সহযোগীরা বলছে, এসব মানি না। তার মানে সংবিধানিক বিধি-বিধান তারা মানে না। তারা যা কিছু বলছে, এটা সংবিধানের বিধি-বিধান পরিপন্থী। দেশের সংবিধান অনুযায়ী, অসাংবিধানিক কিছু করলে সেটা রাষ্ট্রদ্রোহিতা। সংবিধানের ৭ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, তাদের এ কৃতকর্ম রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের শামিল।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সৃষ্টি। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের কথা বলা যায় না। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তান থাকতো। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত হতো এ ভূখণ্ড।’
শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য গতিতে অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশের যে অভিযাত্রা, সেই অভিযাত্রায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মনে রাখতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার প্রতিষ্ঠার শেষ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনা। তাকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ থাকবে না।’