‘ভালো বই মানুষকে নৈতিক অধঃপতন থেকে টেনে তুলতে পারে’

নৈতিক অধঃপতন থেকে একটি ভালো বই, একটি লাইব্রেরি মানুষকে টেনে তুলে আনতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেন, একটি ভালো বই একজন ভালো মানুষ গড়তে অবদান রাখে। বই হতে পারে মানুষের বিশ্বস্ত বন্ধু। গ্রন্থাগার আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক অবক্ষয়, সংশয়, নৈতিক স্খলন দূর হবে। স্বাধীন সত্তার বিবেকসম্পন্ন বাঙালি জাতি তৈরি হবে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সিনেপ্লেক্স কক্ষে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ উপলক্ষে গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস।

লিখিত বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। বর্তমান সরকার যথাসময়ে ‘রূপকল্প ২০২১ ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। ইতোমধ্যে মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু ও ঢাকা মেট্রোরেলের উদ্বোধন হয়েছে। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০’ ও ‘রূপকল্প ২০৪১ স্মার্ট বাংলাদেশ’ যথাসময়ে বাস্তবায়ন সম্ভব।

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞানমনস্ক, সংস্কৃতিমনা, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণও জরুরি মন্তব্য করে তিনি বলেন, জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন এই ধারাকে আরও বেগবান করবে। জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে আলোর পথযাত্রী হয়ে ‘গণগ্রন্থাগার অধিদফতর’ কাজ করে যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর বলেন, বাংলাদেশ উন্নত হচ্ছে, এগিয়ে যাচ্ছে। তাই দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গ্রন্থাগারকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রাণালয়ের ভিশন ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সংস্কৃতিমনস্ক, জ্ঞানমনস্ক জাতি তৈরি করা। সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিটি গ্রন্থাগারকে অনলাইন ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হচ্ছে। দামি ও কিছুটা দুষ্প্রাপ্য বইগুলো একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে কিনে প্রত্যেক গ্রন্থাগারে রাখা হচ্ছে। এতে গ্রন্থাগারগুলো সমৃদ্ধ হবে।

এ সময় আরও ছিলেন গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের মহাপরিচালক আবু বকর সিদ্দিক, জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।