সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ‘আমার মন্ত্রণালয়ের অধীন শিল্পকলা একাডেমিসহ সকল ক্ষেত্রকে ধূমপানমুক্ত করবো।’
বুধবার (২২ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আহ্ছানিয়া মিশন অডিটোরিয়ামে ‘ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার-২০২২’ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ধূমপান মরণ নেশা। এ নেশা থেকে দেশকে মুক্ত করতে ও প্রধানমন্ত্রীর তামাকমুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকরা এ বিষয়ে ভূমিকা রাখতে পারেন এবং ধূমপান ও তামাকের ভয়াবহতা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারেন।’
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ডা.আব্দুল আজিজ, সাইফুজ্জামান শিখর, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী হোসেন আলী খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
ডা. আব্দুল আজিজ বলেন, ‘সম্প্রতি তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেটের ব্যবহার আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। স্মোকিং জোনের মাধ্যমেও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে মানুষ।’ তিনি তামাকনিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী সংসদে পাস করার ক্ষেত্রে দৃঢ় ভূমিকা রাখার কথা ব্যক্ত করেন।
আলোচক হিসেবে অনুষ্ঠানে জেষ্ঠ্য সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল জানান, সাংবাদিকদের কাজের স্বীকৃতি দিলে কর্মক্ষেত্রে তাদের উৎসাহ বেড়ে যায়।
তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতি, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও তামাক কর বৃদ্ধি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ‘ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০২২’ পেয়েছেন চার সাংবাদিক। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সংষ্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।