ভুয়া সনদপত্র দিয়ে চাকরি করার অভিযোগে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশনের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক জি এম আহসানুল কবীর। অভিযুক্ত ব্যক্তি পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির একজন জুনিয়র তড়িৎবিদ। তাকে ইতোমধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক আরিফ সাদেক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের জুনিয়র তড়িৎবিদ মো. শামছুর রহমানের (৪৩) সঙ্গে আসামি করা হয়েছে ঝিনাইদহের বেনীপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওয়াহিদুজ্জামান, স্থানীয় কাঁচেরকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন জোয়াদ্দার মামুনকেও। এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৭ জুন থেকে ২০১৩ সালের ১২ মে সময়ে অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার অভিপ্রায়ে পরস্পর যোগসাজশে এ অপরাধ করা হয়। তারা প্রতারণা, জালিয়াতি ও অসদাচরণের মাধ্যমে প্রকৃত জন্ম তারিখ গোপন করে ভুয়া বয়স সংবলিত সনদপত্র তৈরি ও ব্যবহার করে ‘টেকনিক্যাল অ্যাটেনডেন্ট’ পদে ঢাকায় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডে চাকরি নেন। যা দন্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ। এসব অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক জি এম আহসানুল কবীর মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলা তদন্তকালে ঘটনার সঙ্গে অন্য কারোর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তা আমলে আনা হবে।