ধর্ষণের ঘটনা সালিশে মীমাংসা, এসপিকে ব্যবস্থা নিতে বললো মানবাধিকার কমিশন

‘কুমিল্লার দেবিদ্বারে ধর্ষণের শিকার তরুণীর আত্মহত্যার পর প্রভাবশালীদের চাপে স্বজনরা আইনের আশ্রয় নিতে পারছেন না’– এমন সংবাদে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সরকারের এই সংস্থাটি মনে করে, আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করার প্রচেষ্টা মানবাধিকারের লঙ্ঘন। কুমিল্লার পুলিশ সুপারকে দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছে সংস্থাটি। পরবর্তীতে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

রবিবার (২ এপ্রিল) কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ধর্ষণের শিকার তরুণীর আত্মহত্যা চাপের মুখে দেড় লাখে মীমাংসা!’– বিষয়ে গণমাধ্যমের সংবাদের প্রতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, কুমিল্লার দেবীদ্বারে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। অভিযুক্ত ও মাতব্বরদের চাপের মুখে থানা বা আদালতে অভিযোগ করতে পারছে না ভুক্তভোগীর পরিবার। বাধ্য হয়ে মীমাংসা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তরুণীর আত্মহত্যার পর অভিযুক্তদের বাঁচাতে সালিশ করে ঘটনার মীমাংসা করা হয়। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা করে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় তিন জনকে। সালিশে তাদের কাছ থেকে নগদ ১০ হাজার করে ৩০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।