মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাজউকের প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনায় বিএনপির ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি মামলার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বিচারিক আদালতকে ৬ মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলাটি বাতিল চেয়ে করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে রবিবার (৩০ এপ্রিল) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি। রিভিশনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাব্বির হামজা।
এর আগে, ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদের এমপি থাকাকালীন রাজউকে মিথ্যা হলফনামা দিয়ে ঢাকার বনানী আবাসিক এলাকায় ৫ কাঠার একটি সরকারি প্লট গ্রহণ করেন হাফিজ ইব্রাহিম। এতে তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। পরে মিথ্যা হলফনামা দিয়ে প্লট নেওয়ার কারণে ২০১৭ সালের ১৩ মার্চ মতিঝিল থানার মামলা করে দুদক।
এরপর ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারী ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। সেই অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করলে হাইকোর্ট ২০১৯ সালের ১৬ এপ্রিল রুল জারি করে মামলার কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ দিয়েছিলেন।
তবে সে রুলের শুনানি শেষে হাফিজ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে দায়ের করা প্লট জালিয়াতির দুর্নীতির মামলা বাতিল চেয়ে করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দিলেন হাইকোর্ট। এর ফলে বিচারিক আদালতে মামলাটি চলতে আর বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।