তথ্য গোপন করে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম জুগিরকান্দি এলাকায় স্থাপিত মেসার্স নিহা ব্রিকসকে অবৈধ দাবি করায় রিটকারীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন হাইকোর্ট। উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২০ জুন) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে বিবাদী পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এ কিউ এম সোহেল রানা ও দিদারুল আলম। অন্যদিকে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী।
পরে আইনজীবী এ কিউ এম সোহেল রানা বলেন, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম জুগিরকান্দি এলাকায় স্থাপিত মেসার্স নিহা ব্রিকস অবৈধ দাবি করে সেখানকার বাসিন্দা আবদুল কাদের হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। রিটে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের ডিজি, মেসার্স নিহা ব্রিকসের স্বত্ত্বাধিকারী মো. নাদিমসহ মোট ১০ জনকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়।
ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল ও নির্দেশনাসহ আদেশ দিয়েছিলেন। আদেশে আদালত জুগিরকান্দি গ্রামে অবৈধ ও অনুমোদনহীন ইটভাটা অপসারণের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলে জারি করা হয়। পাশাপাশি আদেশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে জুগিরকান্দি গ্রামে স্থাপিত অবৈধ ও অনুমোদনহীন ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু আদালতের আদেশ অবহিত হয়ে জুগিরকান্দি গ্রামে স্থাপিত মেসার্স নিহা ব্রিকস এর স্বত্ত্বাধিকারী মো. নাদিম হাইকোর্টে রুল খারিজের আবদেনটি দাখিল করেন। মেসার্স নিহা ব্রিকস এর হালনাগাদ পরিবেশ ছাড়পত্র, জেলা প্রশাসকের দেওয়া ইট পোড়ানোর লাইসেন্সসহ সব প্রয়োজনীয় সনদ ও কাগজপত্র যথাযথ থাকা সত্ত্বেও তা গোপন করে রিটটি করা হয় বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ইতোপূর্বে জারি করা রুল খারিজের (ডিসচার্জ) আদেশ দেন। পাশাপাশি রিটকারীকে বিবাদী মো. নাদিমের অনুকুলে খরচা হিসেবে ২০ হাজার টাকা আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে দিতে আদেশ দিয়েছেন।