সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড: দুই অপরাধীকে খুঁজছে র‌্যাব

বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যায় মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ শততম বার পেছানো হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। মামলার অগ্রগতি বিষয়ে সংস্থাটি বলছে, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে কাজ করছে র‌্যাব। আমেরিকা থেকে ডিএনএ টেস্টের যে রিপোর্ট এসেছে, সেখানে দুজন অপরাধীর বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্তে কাজ চলছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজার মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

২৫ জনের আলামত সংগ্রহ করে ডিএনএ রিপোর্টের জন্য আমেরিকায় পাঠানো হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যে প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। দুজনের বিষয়ে আমরা তথ্য পেয়েছি, তবে আমরা এখনও সেই দুজনকে শনাক্ত করতে পারিনি। যে প্রতিবেদন আমরা পেয়েছি, সেখানে কংক্রিট কোনও তথ্য দেওয়ার মতো কিছু পাইনি। তদন্ত কর্মকর্তা এখনও সুনিশ্চিত নয়, কাদের ইনভলভমেন্ট ছিল সেই হত্যাকাণ্ডে।’

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন

তিনি আরও বলেন, ‘তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে খুঁজে বের করা প্রয়োজন, তবে কেউ যেন ভিকটিমাইজড না হয়। আমরা কোনও বিতর্কে জড়াতে চাচ্ছি না। ডিএনএ টেস্টে পাওয়া দুই অপরাধীকে শনাক্তের কাজ চলছে। এই দুজনকে শনাক্ত করতে পারলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো। ভিকটিমের পরিবারকেও আমরা বিভিন্ন সময় এসব তথ্য জানিয়েছি, তারাও এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল।’

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত আসামি শনাক্তের জন্য বিশ্বের অনেক জায়গায় দেখা গেছে, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ মামলা বা যেসব মামলার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না; সেসব মামলার বেশি সময় প্রয়োজন হয়েছে। ঘটনার পরে আলামত সংগ্রহ ডিফিকাল্ট ছিল। সাগর ও রুনি সাংবাদিক দম্পতি, তারা জনপ্রিয় ছিলেন। সেখানে অনেক মানুষ গিয়েছিলেন।’ দুজনকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা গেলে পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে আর কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা—তা জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:

শততম বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যার মামলার প্রতিবেদন