মিয়ানমারে সাংবাদিককে ২০ বছরের কারাদণ্ড: আসকের উদ্বেগ

মিয়ানমারে একজন সাংবাদিককে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে সেনা শাসিত দেশটির একটি আদালত। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। এ ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে।

জানা যায়, গত মে মাসে সাই ঝাউ থাই নামের একজন সাংবাদিককে রাখাইন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সেখানে সাইক্লোন ‘মোচা’র প্রভাব সম্পর্কে রিপোর্ট করছিলেন। আরও  জানা যায়, তার ওপর আরোপিত অভিযোগগুলো স্পষ্ট ছিল না এবং তাকে আইনজীবীর সহায়তা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) আদালত তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। দেশটিতে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটিই কোনও সংবাদকর্মীকে দেওয়া সর্বোচ্চ সাজা।

ডিটেইন্ড  জার্নালিস্ট  গ্রুপের তথ্য অনুসারে, মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর থেকে এখনও পর্যন্ত দেড় শতাধিক সাংবাদিক গ্রেফতার করা হয়েছে ও চার জন নিহত হয়েছেন। অভ্যুত্থানের পর থেকে সামরিক জান্তা বিরোধীদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন ও হাজার হাজার মানুষকে কারাবন্দি এবং হত্যা করেছে বলে আন্তজার্তিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। সত্য প্রকাশে বাধা দেওয়া ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকীর্ণ করার জন্যই সামরিক জান্তা নিয়ন্ত্রিত দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী এমন কার্যক্রম চালাচ্ছে। সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে পেশাগত দায়িত্ব পালন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য এমন আচরণ চরম হুমকি। আসক  মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং বিশ্বের যেকোনও নির্যাতিত সাংবাদিক বা গণমাধ্যমের পাশে আছে। তাই উল্লিখিত সাংবাদিকদের দ্রুত মুক্তি এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।