রাজধানীর পল্লবীতে শাহিন উদ্দিন হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১২ অক্টোবর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। এ কারণে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা হক ফের তদন্ত প্রতিবেদন জমার জন্য নতুন এ দিন ঠিক করেন।
এর আগে, ২০২২ সালের ১২ মে আদালত শাহিন উদ্দিনের মায়ের নারাজির আবেদন গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে পিবিআইকে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেন।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ মামলায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক এমপি ও ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ ইফতেখার হোসেন।
অন্য আসামিরা হলেন– সুমন ব্যাপারী, টিটু, কিবরিয়া, মুরাদ হোসেন, আবু তাহের, ইব্রাহিম সুমন, রকি তালুকদার, শফিকুল ইসলাম, তুহিন মিয়া, হারুন অর রশীদ, তারিকুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, হাসান ও ইকবাল হোসেন। সুমন ও শফিকুল ছাড়া বাকি ১৩ আসামি কারাগারে। তাদের মধ্যে ৯ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
২০২১ সালের ১৬ মে শাহিন হত্যাকাণ্ডের পর ওই রাতেই নিহতের মা আকলিমা বেগম বাদী হয়ে পল্লবী থানায় সাবেক এমপি আউয়ালসহ ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৬ মে বিকাল ৪টার দিকে সুমন ও টিটু নামে দুই যুবক জমির বিরোধ মেটানো হবে জানিয়ে শাহিনকে ফোনে ডেকে নেয়। শাহিন মোটরসাইকেলে পল্লবীর ডি-ব্লকের ৩১ নম্বর সড়কের ৪০ নম্বর বাসার সামনে গেলে সুমন ও টিটুসহ ১৪ থেকে ১৫ জন তাকে টেনেহিঁচড়ে ওই বাড়ির গ্যারেজে নিয়ে যায়। এ সময় শাহিনের ছয় বছরের ছেলে মাশরাফি গেটের বাইরে ছিল। গ্যারেজে নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে অভিযুক্তরা। এরপর শাহিনকে ওই গ্যারেজ থেকে বের করে ৩৬ নম্বর বাড়ির সামনে আবার কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যায় তারা। পরে ঘটনাস্থলেই শাহিনের মৃত্যু হয়।