নাশতার মামলা: বিএনপি নেতা আমানের অসুস্থতার কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছালো

রাজধানীর মুগদা থানায় আট বছর আগে দায়ের করা নাশকতা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও আমানউল্লাহ আমানসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের পিছিয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসিফ ইকবালের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এদিন আমানউল্লাহ আমান অসুস্থ থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে উপস্থিত করা হয়নি। এ জন্য সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৭ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার অন্য আসামি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল আদালতে হাজিরা দেন। মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে একজনের (বাদী) সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন– বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রয়াত বিএনপি নেতা এমকে আনোয়ার, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, সাবেক বিএনপি নেতা শওকত মাহমুদ, শিরিন আক্তার।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৭ মার্চ হরতাল চলাকালে রাজধানীর মুগদায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে ঘটনার দিনই মুগদা থানায় মামলা দায়ের করেন এসআই দেলোয়ার হোসেন। এতে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলায় অভিযোগ আনা হয় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও পেনাল কোড আইনে। পরবর্তী সময়ে চার্জশিটে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনেও অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলা তদন্ত করে ২০১৭ সালের ২৩ আগস্ট মোট ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার এসআই মো. সাইফুল আলম চৌধুরী।

চার্জশিটে নতুন করে বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমানকে অভিযুক্ত করা হয়।

এরপর ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসিফ ইকবাল।