১৫ জেলার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির নিচে, ঢাকাতেও কমেছে

১৬ জেলার তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রির নিচে। গতকাল মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দেশের ৯টি জেলায় তাপমাত্রা এর নিচে ছিল। এদিকে ঢাকার তাপমাত্রাও কমেছে প্রায় দুই ডিগ্রি। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, আগামী কদিনের মধ্যে আরও কিছু জেলার তাপমাত্রা কমতে পারে। শৈত্যপ্রবাহ এখনও শুরু না হলেও উত্তরাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় হিমেল বাতাস বইছে প্রায় সারাদিনই। এতে করে কনকনে ঠান্ডা অনুভূতি বাড়িয়েছে। কুয়াশার কারণেও কিছু অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।  

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গা ও নওগাঁর বদলগাছিতে; ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গতকাল ছিল রাজশাহীতে ১১। এছাড়া ঢাকায় গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৮, যা আজ দুই ডিগ্রি কমে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রিতে নেমেছে। এদিকে ১২ ডিগ্রির নিচে থাকা অঞ্চলগুলোর মধ্যে আছে, পাবনার ঈশ্বরদী ১০ দশমিক ৮; কিশোরগঞ্জের নিকলী ১১; কুষ্টিয়ার কুমারখালী ১১ দশমিক ৩;  গোপালগঞ্জ ১১ দশমিক ৪; যশোর, কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও ডিমলায় ১১ দশমিক ৬, দিনাজপুর ও রাজশাহীতে ১১ দশমিক ৭, নীলফামারীর সৈয়দপুর, পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া, রংপুর, ফরিদপুর ও মাদারীপুরে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।  

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং এটি কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে মধ্যরাত থেকে দুপুর পর্যন্ত বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটতে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। কুয়াশার কারণে সারা দেশে দিনে ঠান্ডা পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে।