আইনজীবীদের জীবদ্দশায় বেনাভোলেন্ট ফান্ডের সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

জীবদ্দশায় আইনজীবীরা যেন বার কাউন্সিলের বেনাভোলেন্ট ফান্ডের সুবিধা পায় এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মামলাটির কার্যক্রম আগামী ২ মাসের জন্য মুলতবি রেখেছেন আদালত।

রবিবার (২৮ জানুয়ারি) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার ইফতার উদ্দিন মাহমুদ, অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল, অ্যাডভোকেট জামিলা মমতাজ ও ব্যারিস্টার সাবিত এ খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুজ্জামান। বার কাউন্সিলের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এস এম কফিল উদ্দিন।

শুনানিকালে বার কাউন্সিলের আইনজীবী আদালতকে বলেন, বিভিন্ন স্লটে ফি বাড়ানো হয়েছে। তাতে বাৎসরিক মাত্র ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এতে করে কোনও আইনজীবী মারা গেলে তার পরিবার বেশি টাকা পাবেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, বিষয়টি বার কাউন্সিলের পলিসির ম্যাটার।

তখন রিটকারীর আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ফি বৃদ্ধির বিষয়টি নবীন আইনজীবীদের জন্য কষ্টকর হবে।

তখন আদালত বার কাউন্সিলের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, আইনজীবীরা মৃত্যু দাবি না রেখে জীবদ্দশায় যেন বেনাভোলেন্ট ফান্ডের সুবিধা পেতে পারে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কিনা দেখুন।

রিটকারীর আইনজীবী বলেন, তাহলে চলতি জানুয়ারি মাসে ফি জমাদানের সময় বর্ধিত করা যায় কিনা সেই বিষয়ে আদেশ চাই।

তখন আদালত মৌখিকভাবে সময় শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনার জন্য বলেন।

একই সঙ্গে জীবদ্দশায় আইনজীবীরা যেন বার কাউন্সিলের বেনাভোলেন্ট ফান্ডের সুবিধা পায় এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানানোর জন্য মামলাটি আগামী ২ মাসের মুলতবির আদেশ দেন হাইকোর্ট।

এর আগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আইনজীবীদের বাৎসরিক নবায়ন ফি বৃদ্ধি করে। সে সিদ্ধান্তের বৈধতা প্রশ্নে আইনজীবীদের পক্ষে এবিএম বায়েজিদ রিটটি দায়ের করেন।