নির্ধারিত সময়ে মার্কেট নির্মাণ সম্পন্ন করে তা ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিসহ অন্যান্যদের যথাযথ প্রক্রিয়ার হস্তান্তর করার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জনেও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ঢাদসিক) ইতিহাস রচনা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরে আজিমপুরে ‘আজিমপুর আধুনিক নগর মার্কেটের শুভ উদ্বোধন এবং দোকানের চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ঢাদসিক মেয়র তাপস বলেন, এই মার্কেটটি তুলা মার্কেট নামে পরিচিত ছিল। এখানে মাত্র ১৫ জন দোকানি জরাজীর্ণ অবস্থায় কোনোরকমে কার্যক্রম চালাতো। করোনার মাঝেই ২০২০ সালের নভেম্বরে এই মার্কেট নির্মাণে আমরা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। তখন অনেকেই শঙ্কিত ছিল। কারণ, ঢাকা সিটি করপোরেশনের অতীতের ইতিহাসে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিগ্রস্তই থেকে গেছে। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। এক মেয়র গিয়ে আরেক মেয়র আসে। ১৩, ১৫ ও ১৮ বছর হয়ে গেলেও মার্কেট নির্মাণ শেষ হতো না।
তাই, স্বাভাবিকভাবেই এই মার্কেটের ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা শঙ্কায় ছিল তারা আর ব্যবসায় ফিরে আসতে পারবেন কিনা? আমরা কথা দিয়েছিলাম, নির্ধারিত সময়ের মাঝেই নির্মাণ সম্পন্ন করবো এবং আবারও এখানে ব্যবসা পরিচালনার সুব্যবস্থা করে দেবো। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছে। অত্যন্ত সুন্দর নান্দনিক এই নগর মার্কেট শুধু ক্ষতিগ্রস্তরাই না, আমরা ১১৭ জনের রুটি রুজির ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়েছি। নির্ধারিত সময়ের মাঝে নির্মাণ সম্পন্ন করে তা যথাযথভাবে হস্তান্তর করার মধ্য দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সুশাসন নিশ্চিতে ইতিহাস রচনা করেছে। ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জনেও ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
অনুষ্ঠানে ১৫ জন ক্ষতিগ্রস্তসহ বরাদ্দপ্রাপ্ত সবার মাঝে বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর করা হয়।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সোলাইমান সেলিম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নিলুফার রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।