রাজনৈতিক দল বিকল্প ধারার মহাসচিব ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স করপোরেশন লিমিটেডের (বিআইএফসি) সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আবদুল মান্নান ও তার স্ত্রী উম্মে কুলসুমসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রবিবার (১৪ জুলাই) দুদকের উপ-পরিচালক মো. গোলাম ফারুকের সই করা এক চিঠিতে এ অনুমোদনের কথা জানানো হয়।
অভিযোগপত্রে যাদের অভিযুক্ত হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তারা হলেন, রাজনৈতিক দল বিকল্প ধারার মহাসচিব ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স করপোরেশন লিমিটেডের (বিআইএফসি) সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আবদুল মান্নান ও তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম মান্নান, মেট্রোপলিটন সিএনজি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকবর হোসেন, বিআইএফসির পরিচালক আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, এএমএম জাহাঙ্গীর আলম, রইস উদ্দিন আহমেদ, মহিউদ্দিন আহমেদ ও রোকেয়া ফেরদৌস, প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহমুদ মালিক, সাবেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইনামুর রহমান, সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ ফকরে ফয়সাল, সাবেক এভিপি আহমেদ করিম চৌধুরী ও সাবেক সিনিয়র অফিসার মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালের ২০ মার্চ দুদকের উপ-পরিচালক আবদুল মাজেদ বাদী হয়ে তাদের আসামি করে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে কমিশনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলে দুদক তাদের অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেন।
অভিযোগপত্রে তাদের বিরুদ্ধে জামানত ও মর্টগেজ ছাড়াই ঋণ তুলে বিআইএফসির সাড়ে চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে মেট্রোপলিটন সিএনজি লিমিটেডের অনুকূলে নিরাপত্তা জামানত ও মর্টগেজ ছাড়াই ছয় কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণ করেন। যার মধ্যে তিন কোটি ৭৬ লাখ ৪৬ হাজার ৩১৩ টাকা আসলসহ চার কোটি ৬৬ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৩ টাকা মন্দ ঋণ হিসেবে অনাদায়ী রয়েছে। আর ওই ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়নি কিংবা জমাও দেওয়া হয়নি। ২০১১ সালের মার্চে নেওয়া ঋণ ফেরত না দিয়ে তারা আত্মসাৎ করেন।