সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তী সময়ে সরকার পতন আন্দোলনের সময়ে সংঘটিত সহিংসতার ওপর একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন। ওই প্রতিবেদনে ছাত্র আন্দোলনের বিবরণ, তাদের উদ্বেগ ও বিভিন্ন সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রাথমিক এই প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে এক বিবৃতিতে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিসের প্রধান ভলকার টুর্ক জানান, এই সময়ে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।
ভলকার টুর্ক জানিয়েছেন, এই পরিবর্তন মানবাধিকার, আইনের শাসন, দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার ও পুনরুজ্জীবিত করা, মৌলিক স্বাধীনতা ও সুশীল সমাজের জন্য ক্ষেত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।
প্রতিবেদনে বিচার বিভাগ, নিরাপত্তা বাহিনী বা যেকোনও প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বা চাকরি বাতিলের ক্ষেত্রে যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি এবং নতুনভাবে মৃত্যু ও সহিংসতা যেন না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড মেনে কীভাবে শক্তি প্রয়োগ করতে হয়, এ বিষয়ে আইন-শৃংখলা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। যে মানুষগুলো সহিংসতা ও প্রতিশোধমূলক পরিস্থিতিতে রয়েছে, তাদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।