সাকিব-ফেরদৌস-সুমনের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ২৩ সেপ্টেম্বর

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রুবেল নামে এক পোশাক শ্রমিক হত্যার ঘটনায় সাবেক তিন সংসদ সদস্য জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় আগামী ২৩ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) মামলাটির এজাহার আদালতে আসে। এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলামের আদালত তা গ্রহণ করে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

গত ২২ আগস্ট রাতে আদাবর থানায় মামলাটি করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম। মামলায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ, মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মী ১৫৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও। অন্যান্য আসামির মধ্যে রয়েছেন, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, তার ছেলে শেখ ফজলে ফাইম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪–দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারী, দিলীপ কুমার বড়ুয়া, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক এমপি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু প্রমুখ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ৫ আগস্ট রুবেলসহ কয়েকশো লোক সকাল ১১টার দিকে আদাবর থানাধীন রিংরোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করেন। এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ, মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়।