সাংবাদিক আতাউস সামাদের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কিংবদন্তি সাংবাদিক আতাউস সামাদের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী। বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে অতুলনীয় কর্মনিষ্ঠা, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও পরিশ্রমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই ব্যক্তিত্বকে জাতি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক কবি হাসান হাফিজ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ জানান, বিবিসি খ্যাত এই  সাংবাদিকের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর। ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি ১৯৫৬ সালে সাপ্তাহিক সচিত্র সন্ধানীতে। কাজ করেছেন সংবাদ, আজাদ, পাকিস্তান অবজারভার, দি সান, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ টাইমসে। ১৯৮২ থেকে ’৯৫ সাল পর্যন্ত বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারী এরশাদের আমলে তাকে কারাবরণ করতে হয়। তিনি পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন দু’বার। জাতীয় প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য আতাউস সামাদ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন। আজকের অনেক স্বনামধন্য সাংবাদিকের শিক্ষক ছিলেন। তার প্রকাশিত বই ‘এ কালের বয়ান’।

আতাউস সামাদের স্মরণে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক হলে এক স্মৃতিসভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে সম্পাদক, সিনিয়র সাংবাদিকরা এবং গণমাধ্যমে ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থাকবেন।