দুটি ভুয়া নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ট্রান্সকম গ্রুপের বেশিরভাগ শেয়ার হস্তান্তরের দলিল তৈরি করে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদফতরে (আরজেএসসি) দাখিল করা হয়েছিল। আদালতে দেওয়া ডাক বিভাগ ও ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
ঢাকা মহানগর হাকিম শরীফুর রহমানের আদালতে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) ওই দুটি নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে ট্রান্সকম লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শাযরেহ্ হকের সই ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক সাজেদুর রহমানের আবেদনের ওপর শুনানি ছিল। শুনানি শেষে ফরেনসিক পরীক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
মামলার সূত্রে জানা যায়, এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে শাযরেহ্ হক গুলশান থানায় বড় বোন সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় নিজের সই জালিয়াতি করে প্রতারণার মাধ্যমে ট্রান্সকমের বেশির ভাগ শেয়ার দখলে নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। মামলায় কোম্পানিটির আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।
শাযরেহ্ হকের আইনজীবী বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান ওই দুটি স্ট্যাম্পে শাযরেহ্ হকের যে স্ক্যান করা সই ব্যবহার হয়েছে সেটির ফরেনসিক পরীক্ষার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত বলেছেন, যেহেতু স্ট্যাম্প দুটি ভুয়া, তাই আর ফরেনসিক পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। এ কারণে আজ আবেদনটি নামঞ্জুর করেছেন আদালত।