রাজধানীর লালবাগে হত্যাসহ দুই মামলার আসামি মাহবুব আলমের (৩২) নামের একজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে লালবাগ জেএন সাহা রোডের লিবার্টি ক্লাবের সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপির লালবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ক্যশৈনু এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে মৃত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে পাওয়া যায়। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এছাড়া তার হাতে ও বুকে পুরাতন ব্যান্ডেজ ছিল। তার নামে লালবাগ থানায় হত্যাসহ দুটি মামলা রয়েছে।
‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গ্রুপিং নিয়ে দ্বন্দ্বে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না’, বলেও জানান ওসি।
তিনি আরও বলেন, ১৫ দিন আগে লালাবগ কেল্লা এলাকায় কে বা কারা মাহবুবকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। হাসপাতালে চার দিন ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এখনও হাতসহ শরীরে ব্যান্ডেজ ছিল। এই অবস্থায় আবার তাকে কুপিয়েছে। তবে আগের ঘটনায় এ সে থানায় কোনও অভিযোগ করেনি। তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের স্বজনরা জানান, নিহত মাহবুব রাত ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন আতশবাজি ফোটানো দেখবেন বলে। পরে ভোরে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পান তারা।
নিহত মাহবুবের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার চড়মুগুরিয়া গ্রামে। তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে রাজধানীর লালবাগ শহীদনগর ৮ নম্বর গলির একটি বাড়িতে ভাড়ায় থাকতেন। পেশায় তিনি অটোরিকশা চালক ছিলেন।