গৃহবধূকে হত্যা: যুবকের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার যুবক ইমাম হোসেন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এদিন তাকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। পরে তিনি দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হন। বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের সূত্র ধরে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সীমা আক্তার ইমাম হোসেনের ভাড়া বাসায় দেখা করতে আসেন। এক পর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। সীমা আক্তারকে ঘরে থাকা বঁটি দিয়ে ইমাম হোসেন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এলাকাবাসীর সহায়তায় ইমাম হোসেনকে আটক করে। এসময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ সীমাতে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। নিহত গৃহবধূর নাম সীমা আক্তার (৪০)। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার বড়কান্দি গ্রামের জলিল বেপারীর মেয়ে। তার স্বামী আক্তার হোসেন ফল ব্যবসায়ী। দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে এই দম্পতি কেরানীগঞ্জের আগানগর আমবাগিচা বউবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।