ভুয়া মামলা নাম্বর বসিয়ে ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার ঘটনায় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আগামী ৭ আগস্টের মধ্যে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ডিসি প্রসিকিউশন বিভাগের অধীনের একজন পুলিশ পরিদর্শক এ ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
সোমবার (২৮ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত এ আদেশ দেন।
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র বলছে, সম্প্রতি একটি নালিশি মামলায় সুজন কুমার বসু নামে এক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার ঘটনা ঘটে। ওই আসামির আইনজীবী তানভীর হাসান সোহেল সেই পরোয়ানা ফেরত প্রাপ্তির জন্য দরখাস্ত জমা দেন। পরবর্তীতে দেখা যায়, জারিকৃত ওয়ারেন্ট ভুয়া এবং এই ধরনের কোনও নালিশি মামলায় আসামির নাম নেই।
অভিযোগের অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছরের ১৮ জুন সুজন কুমার বসুর নামে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়। পরবর্তীতে দেখা গেছে, গ্রেফতারি পরোয়ানা রিসিভ সংক্রান্ত কোনও রেজিস্ট্রারে উপস্থাপনকারী কর্মচারীর নাম লেখা বা স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয় না। ভুয়া পরোয়ানা সৃষ্টিকারী প্রতারক ব্যক্তিরা আদালতের নাম ও সিল ব্যবহার করে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ইস্যুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণকে হয়রানি করে। সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণসহ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।