জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় রনি খান নামে এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারকে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম মিয়া এই আদেশ দেন।
গত ২৮ অগাস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রওশন ফেরদৌস তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন মঙ্গলবার ধার্য করেন। এ দিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।
তিনি বলেন, ‘আসামি ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ। এজাহারনামীয় আসামি। ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শেখ হাসিনার অনুগত সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা, সুবিধাবাদীরা আন্দোলন দমাতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে। সে দিন আর লাঠি ব্যবহার করেনি। উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, খিলগাঁও, মোহাম্মদপুর, রামপুরাসহ অনেক জায়গায় অনেকে আহত হয়। বাদীও গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে গ্রেফতার দেখানোর প্রার্থনা করছি।’
পরে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণী অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই বিকাল ৫টার দিকে খিলগাঁও মেরাদিয়ায় পিবিআই অফিসের সামনে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় রনির গলায় গুলি লাগে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে গত ২১ জানুয়ারি খিলগাঁও থানায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২ অক্টোবর ঢাকার গুলশান থেকে নজরুল ইসলাম মজুমদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর একাধিক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। নেওয়া হয় রিমান্ডেও।