মেট্রোরেলের একটি ট্রেনের ছাদে মানুষ উঠে পড়ার ঘটনায় আরও বড় বিপদ ঘটতে পারতো বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) উত্তরায় ডিএমটিসিএলের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘সে যে বিদ্যুতায়িত হয়নি, এটা সৌভাগ্য। এর থেকে হয়তো আরও বড় কিছু হতে পারতো।’
প্রসঙ্গত, এক শিশু মেট্রোরেলের ছাদে উঠে পড়ার পর রবিবার রাত রাত ৮টা ৫ মিনিটে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা মই লাগিয়ে তাদের নামিয়ে আনলেও রাতে আর ট্রেন চালানো হয়নি। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন বহু মানুষ।
এদিকে মেট্রোরেল স্টেশনের সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, ছেলেটি সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে প্লাটফর্মে আসে এবং যে ট্রেনটি থেকে যাত্রীরা নামছিল সেটিতে উঠে যাচ্ছে। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বলে জানা গেছে। অন্য আরেকটি ফুটেজে দেখা গেছে, একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী ছেলেটিকে দুই বগির মাঝে দেখতে পেয়ে দৌড়ে যাচ্ছেন।
ফুটেজের বিষয়ে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘ছেলেটি টিএসসি থেকে মেট্রোতে উঠে আগারগাঁওয়ে যায়। সেখান থেকে মেট্রোরেল বদল করে আবার সচিবালয়ের দিকে আসে। আগারগাঁওয়ে ট্রেন বদলের সময় দুই বগির সংযোগস্থলে সে প্রবেশ করেছে নাকি নাকি সচিবালয় স্টেশনে নেমে দুই বগির সংযোগস্থলে গেছে তা বোঝা যায়নি। তবে সচিবালয় স্টেশনে ট্রেন অবস্থানের সময় দুই বগির সংযোগস্থলে অবস্থানের সময় কিশোরকে দেখে ফেলে নিরাপত্তা কর্মীরা। তখন ভয় পেয়ে দ্রুত ট্রেনের ছাদে উঠে যায়। ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকার কারণে এবং বৈদ্যুতিক লাইনে টাচ না লাগায় বড় কোনও বিপদ হয়নি।’