ঋণ পুনঃতফসিল করার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণখেলাপির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে তার ‘ঋণখেলাপি’ সংক্রান্ত আইনি বাধা কাটলো বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত আগের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে এই আদেশ দেন।
আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরোয়ার আলমগীরের নাম ঋণখেলাপির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার হাইকোর্টের আদেশটি স্থগিত করেছিলেন চেম্বার আদালত। তবে আজ সেই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ায় হাইকোর্টের আদেশটিই কার্যকর থাকলো।
শুনানিতে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মলয় কুমার রায় জানান, প্রতিষ্ঠানটি সরোয়ার আলমগীরের কাছে ১৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা পাওনা ছিল। এছাড়া ৫টি ব্যাংকে তার মোট ঋণের পরিমাণ ২১৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। তবে বিবাদী পক্ষ দাবি করেছে, ব্যাংকের চাহিদামতো অর্থ পরিশোধ করে ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ঋণখেলাপির অভিযোগে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। কমিশনের সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। তার প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে এই রিটের শুনানি আগামী রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করছেন, যেহেতু তিনি এখন আর আদালতের দৃষ্টিতে ঋণখেলাপি নন, তাই প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।