‘নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হলে নারী উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে’

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা গেলে দেশে সার্বিক নারী উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এর জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক দল, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার জরুরি। 

শনিবার (২৭ জুন) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ওয়েভ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব বিকাশ’ শীর্ষক জাতীয় সিম্পোজিয়ামে এসব কথা বলেন অংশগ্রহণকারী বক্তারা। সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সমাপনী অধিবেশনের প্রধান অতিথি নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। টেকসই গণতন্ত্র ছাড়া নারীর যথাযথ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী বলেন, নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব বিকাশে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং নারী রাজনীতিকদের কণ্ঠস্বর আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে হবে।

সিম্পোজিয়ামে ইউএন উইমেনের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলী সিং, অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি হ্যারি থমসন, কানাডিয়ান হাই কমিশনের স্টেফানি সেন্ট লরেন্ট ব্রাজার্ড, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ, সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

দিনব্যাপী আলোচনার ভিত্তিতে একটি খসড়া ‘নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের দাবিনামা’ উপস্থাপন করা হয়। এতে রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ সংস্কার, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্দিষ্টসংখ্যক নারী প্রার্থীর মনোনয়ন নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনসহ কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়।