মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জেলা উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণের পরামর্শ

বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেবলমাত্র রাজধানী ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরের সীমাবদ্ধ। এটিকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারন করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোতে মানসিক রোগ বিভাগ সৃষ্টি ও সেখানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পদায়ন। এর মাধ্যমে কমিয়ে আনা সম্ভব মানসিক স্বাস্থ্যের ট্রিটমেন্ট গ্যাপ।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সাইকিয়াট্রিস্টস (বিএপি) আয়োজিত সায়েন্টিফিক সেমিনারে এসব কথা বলেন আলোচকরা।  ‘বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে সেমিনারটি বৃহস্পতিবার (৮ অরক্টাবর) জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে বক্তারা আরও বলেন, এই মুহূর্তে প্রয়োজন বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন পরীক্ষিত সম্পর্কে পর্যালোচনা করার জন্য একটি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ। সরকারের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এবং বাস কর্মপদ্ধতি বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্ট (বিএপি)।

সায়েন্টিফিক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক  ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআইএমএইচ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক অধ্যাপক ডা. মো. খসরু পারভেজ চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এম এ সালাউদ্দিন কাউসার বিপ্লব।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সাইকিয়াট্রিস্টসের (বিএপি) সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএপির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মো. রাহেনুল ইসলাম। এছাড়াও বিএপির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড উপস্থাপন করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. আরিফুজ্জামান।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন বিএপির যুগ্ম সদস্য সচিব ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. তৈয়বুর রহমান রয়েল। অনুষ্ঠানে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও  রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোলজিস্টরা  অংশগ্রহণ করেন।