মুফতি মাহমুদ খান জানান, ওই এটিএম বুথের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যে পর্যাপ্ত নয়, তা আগে থেকে জানতে পারেন ডাকাতরা। এ কারণেই তারা ওই বুথে ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিলেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. হাবিব ওরফে রুবেল (৩২), তার সহযোগী শাহাদাত (২৪), ইসমাইল (২৮), শহিদুল ইসলাম ওরফে শহীদ (৩৬), ফরিদ (৩৩), দেলোয়ার ওরফে দেলু (২৮), ইব্রাহিম (২৩), নজরুল ইসলাম সবুজ (২৩), আলমগীর হোসেন পাঞ্জু মোল্লা (৪৯) এবং হাসান মীর (৩৪)।
মুফতি মাহমুদ বলেন, ২ মার্চ দিবাগত রাতে কালিয়াকৈরে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী রুবেল তার দুই সহযোগীসহ জয়দেবপুরের ইটাহাটির জমির উদ্দিন মার্কেটের সামনে জড়ো হন। এখানে বসে তারা ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। এরপর বুথে টাকা রিফিল করার সময় তারা হামলা করেন এবং টাকা ভর্তি দুটি ট্রাঙ্ক (এক কোটি ৮৪ লাখ টাকা) লুট করে নিয়ে যান। এসময় সিকিউরিটি এজেন্সি মানি প্লান্ট প্রাইভেট লিমিটেডের ৭/৮ সদস্য থাকলেও তারা ডাকাত দলকে মোকাবেলা করতে পারেননি।
তিনি বলেন, ‘ডাকাতরা ৩ থেকে ৪ মিনিটে অপারেশন শেষ করেন। এরপর টাকা নিয়ে একটি পিকআপে করে ফুলবাড়ীয়ার দিকে চলে যান। কিছুদূরে গিয়ে ব্যাংকের ট্রাঙ্কদুটি ভেঙে তিনটি ব্যাগে টাকা নেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা টাকা ভাগ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।’
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘শহীদকে ডাকাতির ৯ লাখ টাকা ভাগ দিতে রুবেল গত মঙ্গলবার রাত ১১ টায় জয়দেবপুরে আসেন। এসময় জমিরউদ্দিন মার্কেটের সামনে র্যাবের চেকপোস্টে গ্রেফতার হন তিনি । এরপর বাকি সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।’
আরও পড়ুন- পুরান ঢাকায় মুয়াজ্জিন হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারী হাবিবসহ আটক ৪
তবে বাকি টাকা কোথায় আছে, এখনও তা জানা যায়নি, বলেছেন র্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান।
/এআরআর/ এপিএইচ/