এসময় মেয়র বলেন, অনেকে গৃহস্থালি বর্জ্যের সাথে সংক্রামক বর্জ্য বা কোভিড বর্জ্য এক সাথে মিশিয়ে ফেলছি। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। কোভিড বর্জ্য বা সংক্রামক বর্জ্য যাতে গৃহস্থালি বর্জ্যের সাথে মেশানো না হয় সেদিকে আমাদেরকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
মেয়র আরও বলেন, সংক্রামক বর্জ্য পৃথকভাবে রাখার জন্য ডিএনসিসি প্রথমবারের মত ৩ লাখ ব্যাগ বিভিন্ন বাসাবাড়িতে বিতরণ করবো। পরবর্তীতে নগরবাসীকে নিজ উদ্যোগে ব্যাগ ক্রয় করে সংক্রামক বর্জ্য সংরক্ষণ করতে হবে। বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত মাস্ক, গ্লাভসসহ অন্যান্য সুরক্ষাসামগ্রী যত্রতত্র না ফেলে এই ব্যাগে সংরক্ষণ করবেন। বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহকারী কর্মীগণ প্রতি শনিবার এবং মঙ্গলবার এ সকল সংক্রামক বর্জ্য সংগ্রহ করবে।
আতিকুল ইসলাম বলেন, এই বর্জ্য যদি যেখানে সেখানে ফেললে সংক্রমণ আরও বাড়ার আশংকা থাকে। স্বেচ্ছাসেবকরা এসব ব্যাগ বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসবেন। লিফলেট, নোটিশ বিতরণের মাধ্যমে এ বিষয়ে আমাদের সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অব্যাহত থাকবে।