ট্যাক্স আদায় শুরু

ডিএসসিসির নতুন ওয়ার্ডগুলোতে ৬৮ হাজার হোল্ডিং

নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোতে জরিপ কাজ শেষে করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। জরিপ অনুযায়ী সংস্থাটির নতুন ৫টি অঞ্চলে ৬৮ হাজার ৮৯টি হোল্ডিং পাওয়া গেছে। এসব হোল্ডিংয়ের মধ্যে বাণিজ্যিক হোল্ডিংগুলো থেকে এরই মধ্যে ট্যাক্স আদায় শুরু করেছে সংস্থাটি। আর আবাসিক হোল্ডিংগুলোর এখনও চিহ্নিত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই কর্তৃপক্ষের কাছে আপিলও করেছেন। আপিলগুলো নিষ্পত্তিও হয়েছে। ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ডিএসসিসি সূত্র জানিয়েছে, সংস্থাটির করপোরেশন বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে আগে বাণিজ্যিক হোল্ডিংগুলো থেকে নির্ধারণ করে আদায় শুরু করা হয়। আর পরের বছরের একই সময় থেকে আবাসিক হোল্ডিংয়ের কর ধার্য করে আদায় শুরু করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনাসহ নানা কারণে এ কাজটি এখনও শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ডিএসসিসি তথ্য অনুযায়ী, সংস্থাটির নতুন অঞ্চল-৬ এর ৭০ নং ওয়ার্ডে এক হাজার ৯৪৭টি; ৭৪ নং ওয়ার্ডে চার হাজার ৬৫৩টি ও ৭৫ নং ওয়ার্ডে চার হাজার ১৬০টিসহ মোট ১০ হাজার ৭৬০টি হোল্ডিং পাওয়া গেছে। অঞ্চল-৭ এর ৭১ নং ওয়ার্ডে দুই হাজার ২৫৪টি; ৭২ নং ওয়ার্ডে এক হাজার ৪৩৪টি ও ৭৩ নং ওয়ার্ডে ৩ হাজার ৩৮০টিসহ মোট সাত হাজার ৬৮টি হোল্ডিং রয়েছে। অঞ্চল-৮ এর ৬৬ নং ওয়ার্ডে ছয় হাজার ২৪১টি; ৬৭ নং ওয়ার্ডে দুই হাজার ৪৪৭টি; ৬৮ নং ওয়ার্ডে দুই হাজার ২৮১টি এবং ৬৯ নং ওয়ার্ডে দুই হাজার ১২১টি হোল্ডিংসহ মোট ১৩ হাজার ৯০টি হোল্ডিং রয়েছে।

অঞ্চল ৯ এর ৬২নং ওয়ার্ডে পাঁচ হাজার ৪০১টি; ৬৩ নং ওয়ার্ডে চার হাজার ৬৬৮টি; ৬৪ নং ওয়ার্ডে ৩ হাজার ১৭৬টি এবং ৬৫ নং ওয়ার্ডে সাত হাজার ৫২৭টি হোল্ডিংসহ মোট ২০ হাজার ৭৭২টি হোল্ডিং রয়েছে। আর সর্বশেষ ১০ নং অঞ্চলের ৫৮ নং ওয়ার্ডে দুই হাজার ৯৩৯টি; ৫৯ নং ওয়ার্ডে চার হাজার ৪০১টি; ৬০ নং ওয়ার্ডে পাঁচ হাজার ১৪টি এবং ৬১ নং ওয়ার্ডে চার হাজার ৪৫টিসহ মোট ১৬ হাজার ৩৯৯টি হোল্ডিং পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে নতুন এই পাঁচটি অঞ্চল বা নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ৬৮ হাজার ৮৯টি হোল্ডিং রয়েছে।

নতুন হোল্ডিং পাওয়া এলাকার চিত্র। ছবি: শাহেদ শফিক

এসব অঞ্চলে নতুন করে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের জন্য এখনও কোনও অফিস চালু করা হয়নি। নতুন যুক্ত হওয়া অঞ্চলগুলোর মধ্যে ৬ নং অঞ্চল অঞ্চল ২ থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ৭ নং অঞ্চল অঞ্চল-১ থেকে ৮ ও ৯ নং অঞ্চল অঞ্চল ৫ থেকে; ১০ নং অঞ্চল অঞ্চল ৪ এর সঙ্গে সংযুক্তভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

চানতে চাইলে ডিএসসিসির রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের নতুন ওয়ার্ডগুলোর হোল্ডিং নাম্বার স্থাপন শেষ হয়েছে। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে বাণিজ্যিক হোল্ডিংগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ করে আদায় করা হচ্ছে। আর আবাসিকগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ কাজ চলমান রয়েছে। করোনার কারণে এই কাজটি একটু বাধাগ্রস্ত হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটিও শেষ হয়ে যাবে।