এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২৩টি নির্মাণাধীন ভবন ও বাসা-বাড়ির মালিককে ৫ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া খিলগাঁওয়ের পিডব্লিউডি কলোনিতে মশার লার্ভা পাওয়ায় দ্রুত পরিবেশের উন্নতির করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৪ অগাস্ট) দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ জন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো পরিচালনা করেন।
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে অঞ্চল-১ এর সেগুনবাগিচা ও গ্রিন রোডে মাহফুজুল আলম মাসুম, অঞ্চল-২ এর পিডব্লিউডি কলোনি ও মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি স্টাফ কোয়ার্টারে মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, অঞ্চল-৩ এর আজিমপুর কবরস্থান সংলগ্ন নতুন পল্টন এলাকায় তৌহিদুজ্জামান পাভেল, অঞ্চল-৫ ও ৬ এর র্যানকিন স্ট্রিটে ও পশ্চিম নন্দীপাড়ায় শাহিন রেজা, অঞ্চল-৫ এর উত্তর যাত্রাবাড়ীতে মুহাম্মদ হাসনাত মোর্শেদ ভূঁইয়া, অঞ্চল-৮ এর সারুলিয়ায় হাজীনগর স্টাফ কোয়ার্টারে কাজী হাফিজুল আমিন এবং অঞ্চল-১০ এর শ্যামপুর কদমতলী এলাকায় বিকাশ বিশ্বাস এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এছাড়াও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের (আনিক) মধ্যে অঞ্চল-১ এর মেরীনা নাজনীন ধানমন্ডিতে, অঞ্চল-২ এর আনিক সোয়ে মেন জো পিডব্লিউডি কলোনি ও মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি স্টাফ কোয়ার্টারে, অঞ্চল-৩ আনিক বাবর আলী মীর রনি মার্কেটে, অঞ্চল-৭ এর আনিক ড. মোহাম্মদ মাহে আলম দক্ষিণগাঁওয়ে এবং অঞ্চল-৯ এর আনিক মো. খায়রুল হাসান মাতুয়াইল এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন।
অঞ্চল-২ এর আনিক সোয়ে মেন জো এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন পিডব্লিউডি কলোনিতে মশার লার্ভা পাওয়ার পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখতে পান। সেখানে দ্রুত পরিবেশের উন্নতি করার জন্য সবাইকে সতর্ক করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো মোট ৭৭৪টি নির্মাণাধীন ভবন, বাসাবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় মশার লার্ভা পাওয়ায় ২৩টি নির্মাণাধীন ভবন ও বাসাবাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে ২৩টি মামলায় মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।
এছাড়া এডিস মশার লার্ভার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ বিরাজ করায় মোট ১১টি বাসা ও নির্মাণাধীন ভবনের মালিককে সতর্ক করা হয়।