প্রবাসী সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নসহ ১০ দফা দাবি

প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় প্রবাসী সুরক্ষা আইনসহ ১০ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য– প্রবাসে মারা যাওয়া সকল বাংলাদেশি নাগরিকের মৃতদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা, প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটাধিকারের সুযোগ প্রদান, বিমানবন্দরে প্রবাসী হয়রানি বন্ধ করা ইত্যাদি। রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে এগুলো তুলে ধরে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. কবীর হোসেন বলেন, ‘কর্মসংস্থানের অপ্রতুলতা, জীবন ও জীবিকার তাগিদ এবং উচ্চশিক্ষা ও উন্নত জীবনযাপনের লক্ষ্যে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি নাগরিক প্রবাসে তাদের শ্রম ও মেধা কাজে লাগিয়ে উপার্জিত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে পাঠাচ্ছেন। এসব অর্থ বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।’

সংগঠনের নেতারা মনে করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের ন্যায্য নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। সভাপতির মন্তব্য, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের সুযােগ-সুবিধা, নাগরিক অধিকার, স্বার্থ সংরক্ষণ, প্রাপ্য অধিকার আদায়,  ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং সেই সঙ্গে প্রবাসী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সকল ন্যায্য অধিকার সুনিশ্চিত করা সরকার ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে– পাসপোর্ট সংশোধনের সুযোগসহ দালালমুক্ত পাসপোর্ট ও দূতাবাস সেবা প্রদান, বিদেশে প্রবাসীদের জন্য পর্যাপ্ত বাংলাদেশি দূতাবাস ও শ্রম কল্যাণ উইং রাখা, জাতীয় বাজেটে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া, অভিবাসন ব্যয় ১ লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ও প্রবাসফেরতদের কর্মসংস্থান এবং সুদমুক্ত পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধা দেওয়া। 

মানববন্ধনে অংশ নেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত প্রবাসীরা।