আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে রাজধানীবাসীকে উৎসর্গ করলেন মেয়র তাপস

প্রযুক্তি ও উপাত্তের উদ্ভাবনী ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনযাত্রার উন্নয়ন ও বিকাশে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ‘সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজ’ পেয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এই পুরস্কার রাজধানীবাসীকে উৎসর্গ করেছেন তিনি।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে করপোরেশনের দ্বিতীয় পরিষদের ২২তম করপোরেশন সভায় এই পুরস্কার ঢাকাবাসীকে উৎসর্গ করেন মেয়র।

এ সময় তিনি বলেন, ‘একটি আধুনিক, সচল ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলার নিরন্তর যাত্রায় ঢাকাবাসী আমাদের নিরবচ্ছিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন, করে চলেছেন। নগরবাসীর সহযোগিতায় আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রতিকূলতা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছি। এই পুরস্কার মেয়র হিসেবে আমাকে দেওয়া হলেও পুরস্কারের ভাগিদার ঢাকাবাসী। এ পুরস্কার আমি নগরবাসীকে উৎসর্গ করলাম।’

মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের হাতে সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজ তুলে দেওয়া হচ্ছে

ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড সিটিজ সামিট মেয়রস ফোরামে মেয়র তাপসকে ‘নেতৃত্ব শ্রেণিতে’ সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজে ভূষিত করা হয়। ওয়ার্ল্ড স্মার্ট সাসটেইনেবল সিটিজ অর্গনাইজেশন এবং সিউল মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের যৌথ উদ্যোগে এবারের ওয়ার্ল্ড সিটিজ সামিট মেয়রস ফোরাসের আয়োজন করা হয়।

প্রতি বছর সারা বিশ্ব থেকে দুই জন সিটি মেয়রকে নেতৃত্ব শ্রেণিতে সিউল স্মার্ট সিটি পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে দুই জন সিটি মেয়রের মধ্যে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এ পুরস্কার পান। এছাড়াও টেক-ইনোভেশন প্রাইজ ও হিউম্যান-সেন্ট্রিসিটি প্রাইজ ক্যাটাগরিতেও সারা বিশ্ব থেকে দুই জন করে চার জনকে এ পুরষ্কার দেওয়া হয়। বিশ্বের ৩০টি দেশের ৫০ জন মেয়র সিওলে অনুষ্ঠিত এবারের ওয়ার্ল্ড সিটিজ সামিট মেয়রস ফোরামে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পান।

নগরীর অগ্রযাত্রা এবং নগরবাসীর কল্যাণের জন্য উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজের জন্য মনোনীত করা হয়। এছাড়া নগরীর ব্যবহারিক বিন্যাস, নগরায়নের জটিলতাগুলো অনুসন্ধানে সক্ষমতা প্রদর্শন এবং একটি অধিকতর সহনীয় ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে বলিষ্ঠ কার্যসম্পাদন, কার্যকরী উদ্ভাবন ও উপাত্তের কার্যকর প্রয়োগের ফলে সুশাসন, শহুরে অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি ই-গভর্নেন্স নিশ্চিত করতে ব্যারিস্টার শেখ তাপসের দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্ব জোরালো ভূমিকা রাখায় তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।