প্রতিটি ওয়ার্ডে গণশৌচাগার নির্মাণ করা হবে: মেয়র তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করেপারেশনের (ডিএসসিসি)  প্রতিটি ওয়ার্ডে গণশৌচাগার নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর বংশালে নয়াবাজার গণশৌচাগারের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

মেয়র তাপস বলেন, ‘ঢাকায় এক কোটির বেশি মানুষের বসবাস। সে অনুযায়ী সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বিশেষ করে কর্মজীবী নারীদের জন্য গণশৌচাগার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। বংশাল একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনবহুল এলাকা। যারা দূর-দূরান্ত থেকে ব্যবসায়িক কাজ এবং অন্যান্য প্রয়োজনে এই এলাকায় আসেন, এটি তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে। আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে জনগণের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা নির্ণয় করছি। প্রয়োজনীয়তা অনুসারে প্রতিটি ওয়ার্ডেই গণশৌচাগার নির্মাণ করবো।’

এ পর্যন্ত নতুন ছয়টি ওয়ার্ডে গণশৌচাগার হয়েছে এবং পাঁচটিতে নতুন গণশৌচাগার নির্মাণকাজ চলমান জানিয়ে শেখ তাপস বলেন, ‘বংশালের এই গণশৌচাগারসহ আমরা ইতোমধ্যে নতুন করে ছয়টি ওয়ার্ডে গণশৌচাগার উদ্বোধন করেছি। আরও পাঁচটি ওয়ার্ডে এর নির্মাণকাজ চলছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় অনেকগুলো গণশৌচাগার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, অনেকগুলো দখল অবস্থায় ছিল। আমরা সেগুলো দখলমুক্ত ও সংস্কার করে চালু করেছি। আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো, প্রতিটি ওয়ার্ডেই অন্তত একটি করে গণশৌচাগার নির্মাণ করা। পরে প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সেটা বাড়াবো।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাব ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘ওয়াসার কাছ থেকে হস্তান্তরের পর বাৎসরিক সূচি অনুযায়ী জানুয়ারি মাস থেকে আমরা খাল এবং নর্দমার বর্জ্য ও পলি অপসারণ করে চলেছি, যাতে বর্ষা মৌসুমের আগেই সেগুলো পরিষ্কার হয় এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়। এছাড়া জিরানি, মান্ডা, শ্যামপুর ও কালুনগর খাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে প্রকল্প পাস করেছেন, তার কাজ শুরু হয়েছে। জিরানি খালের ত্রিমোহনী থেকে শুরু হয়েছে আমাদের কাজ। আমরা এখন পূর্ণরূপে খনন, বর্জ্য অপসারণ এবং সীমানা চিহ্নিত করছি। এরপর সেখানে বেষ্টনী দেবো। এ নিয়ে আমাদের পরামর্শকরা কাজ করেছেন। সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর পথ, গণপরিসর সৃষ্টি, সবুজায়ন করা হবে। এতে এলাকার জনগণ একটি উপভোগ্য নান্দনিক পরিবেশ পাবে। আগামী দুই বছর মেয়াদে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন– করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ, থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতারা।