ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃক নাগরিকদের সুচারুভাবে আরও দ্রুততার সঙ্গে সেবা দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ড. মহ. শের আলী। শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকালে দয়াগঞ্জ মোড় সংলগ্ন বর্জ্য সংগ্রাহক আধার (কন্টেইনার) পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মহ. শের আলী বলেন, ‘ছাত্র-জনতার রক্তদানের মাধ্যমে গঠিত সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। তারা চায় সিটি করপোরেশন যেভাবে নাগরিক সেবা দিচ্ছিল সেটি আরও উন্নতভাবে দেওয়া হোক। এই প্রেক্ষাপটে আমরা বিভিন্ন জায়গায় সফর (পরিদর্শন) করছি। আমরা কিছু সমস্যা দেখেছি। সেগুলো আমরা অতিক্রম করতে চাই। আমরা যে সব সেবা নাগরিকদের দিয়ে থাকি সেগুলো আরও সুন্দর, সুচারুভাবে ও দ্রুততার সঙ্গে দেওয়ার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘সিটি করপোরেশন যেসব সেবা দিয়ে থাকে তার মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মশক নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক বাতি ব্যবস্থাপনা অন্যতম। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তিনটি পর্যায়ে হয়ে থাকে। বাসা-বাড়ি থেকে সংগ্রহ করে এসটিএস’এ রাখা। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় ভাগাড়ে নিয়ে যাওয়া। আমরা এই পুরো কার্যক্রম এক দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে চাই।’
সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা সংস্থার মতো দক্ষিণ সিটির কোনও প্রকল্প বা কার্যক্রমে দুর্নীতি হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি বা আইনগত বিষয়গুলো দেখার জন্য রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট সংস্থা রয়েছে। আমরা নাগরিক সেবা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ওপর জোর দিচ্ছি।’
এছাড়াও ডিএসসিসি প্রশাসক মিতালী স্কুল ও আসগর আলী হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় নর্দমা পরিষ্কার কার্যক্রম এবং দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসিম আহমেদ, অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ সফিউল্লাহ সিদ্দিক ভূঁইয়া, স্থানীয় কাউন্সিলর মো. শামসুজ্জোহা প্রমুখ।