রাজধানীর পল্লবীতে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার দাবিতে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজের পর বিক্ষোভকারীরা গোলচত্বর অবরোধ করেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে, মিরপুরের প্রধান সড়কটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই এলাকার আশপাশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। বিকালের দিকে যানজট আরও বাড়ে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন মিরপুরের বাসিন্দারা।
এদিকে, আজ বিকাল থেকে অবরোধ তোলার চেষ্টায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গোলচত্বর এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। জোরদার করা হয়েছে সেখানকার নিরাপত্তাও। অবরোধকারীদের সড়ক ছাড়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তরফ থেকে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে। তবে, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধকারীরা সড়কটি ছাড়েনি।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাত দিন নয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। দেশে বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে এ ধরনের নৃশংস ঘটনা বারবার ঘটছে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীতে একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সময় রামিসার পরিবারকে দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।