চিঠিতে নির্বাচনি আচরণ বিধির ৩১ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়েরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই চিঠিতে মামলা দায়েরের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে ইসিকে তা অবহিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিধি-৩১-এ বলা হয়েছে, কোনও প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনও ব্যক্তি নির্বাচন-পূর্ব সময়ে বিধিমালা লঙ্ঘন করলে ছয় (০৬) মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি রিমন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বেতাগী উপজেলার নির্বাচনি এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন উদ্বোধন করে নৌকার পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চেয়েছেন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। কমিশন ওই খবরটিকে আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতার প্রমাণ পেয়ে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ওই এমপির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই এমপি সদ্য সমাপ্ত পৌরসভা নির্বাচনেও আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছিলেন। ওই সময় তাকে শোকজ করলে কমিশনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ করবেন না বলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরে পৌরসভা নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে নতুন করে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ না উঠলেও ইউপি নির্বাচনে একই অভিযোগ উঠল।
আগামী ২২ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পাঁচ ধাপে আরও সাড়ে তিন হাজারের বেশি ইউপিতে ভোট হবে।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/