এদিকে, ্ওইসব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে ইসি।
প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত কমিশন বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয় বলে সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ভোটগ্রহণের পরপরই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকির উদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত দেন।
সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা ঘটেছে। ভোটের আগের রাতে কয়েকটি জায়গায় সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তির ঘটনা ঘটেছে। এটা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব ঘটনার মধ্যে দুটিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিরোধ করলেও বেশ কয়েকটি জায়গায় কেউ কোনও প্রতিরোধ করেনি। আমরা এসব বিষয়ে রিপোর্ট নিয়ে অ্যাকশন নেব।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভোটের আগের রাতে সন্ত্রাসীরা ঢুকে অন্তত ১১টি কেন্দ্রে সিল মেরে ব্যালটবাক্স ভর্তি করে রাখে। এর মধ্যে মাত্র দুটি স্থানে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বাকিগুলোয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করেছেন। পরে নির্বাচনি কর্মকর্তাদের থেকে রিপোর্ট নিয়ে কমিশনি এ সব কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করে। এছাড়া, ভোটের দিন বেশ কয়েকটি স্থানে দুবৃর্ত্তরা কেন্দ্রে প্রবেশ করে ব্যালট ছিনতাই ও সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে বলে কমিশনে অভিযোগ এসেছে। কোনও-কোনও কেন্দ্রে প্রার্থীরা সরাসরি এর সঙ্গে জড়িত ছিল বলে কমিশনের কাছে রিপোর্ট রয়েছে।
সূত্র জানায়, গণমাধ্যম ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের পাঠানো এসব তথ্য যাচাই-বাছাই ও অধিকতর তদন্ত করে দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দফতরে সুপারিশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এছাড়া, ব্যালট ছিনতাই ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য জড়িতদের বিরদ্ধে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে বাদি করে মামলা দয়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
/এমএনএইচ/