‘আসসালামু আলাইকুম,ভাই। কেমন আছেন?’ বলেই কুশল জানতে জানতে কোলাকুলি শুরু করেন। আবার অনেকে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। আসন্ন পৌর নির্বাচনের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের এমন আন্তরিক আচরণে অনেকে ভোটার দ্বিধায় পড়েছেন। কাকে ভোট দেবেন আর কাকে দেবেন না সেই সমীকরণই করছেন তারা।
রবিবার রাতে পৌর এলাকার গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় এক চায়ের দোকানে নির্বাচন নিয়ে কথা হয় ধামলই গ্রামের লাল মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘পৌর নির্বাচনে আমি ভোট দিতে পারব না। তারপরও শ্রীপুর পৌর শহরে এক কাউন্সিলর প্রার্থী হঠাৎ করে আমাকে জড়িয়ে ধরে দোয়া চাইলেন। প্রার্থীর এমন ব্যবহারে আমি সত্যিই মুগ্ধ।’
মাওনা চৌরাস্তার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সাইদুর বলেন, ‘আগে যাদের দেখলে সালম-আদাব দিয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারতাম না, এখন তারাই উল্টো আমাদের সালাম দেন। প্রার্থীদের এমন মধুর ব্যবহার নির্বাচনের পর আর পাওয়া যায় না। যারা সব সময় একই রকম ব্যবহার করেন, তেমন প্রার্থী দেখেই ভোট দেব।’
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে শুধু মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরাই নন, তাদের আত্মীয়স্বজন, কর্মী-সমর্থকদের আচরণও বদলে গেছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) শ্রীপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবু বকর সিদ্দিক আকন্দ সোহেল বলেন, ‘মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের এমন আচরণ সবসময় থাকবে এটাই নাগরিকদের কাম্য। নির্বাচনের পর বিজয়ী হয়ে তাদের আচার-ব্যবহার বদলে যায়। এখন তাদের ব্যবহার দেখে আমরা মুগ্ধ।’
/জেবি/এসটি/