গৌরনদী পৌর নির্বাচনে মুখোমুখি স্বামী-স্ত্রী ও বাবা-ছেলে!

বরিশালের গৌরনদী পৌর নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে স্বামী ও স্ত্রী এবং বাবা-ছেলের প্রার্থী হিসেবে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও এই ওয়ার্ড থেকে একই বংশের ৫জন কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন।

এ নিয়ে ওই এলাকায় ভোটারদের মধ্যে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, গৌরনদী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে  টরকীর চর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা এইচ এম মোশারফ হোসেন ও তার স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া লাভলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে একজন নির্বাচনে লড়ব।

স্থানীয়দের মতে, একই (২নং) ওয়ার্ডে দ্বন্দ্ব আর জিদের কারণে একই বাড়ির নিকট পাঁচ আত্মীয় একে অপরের বিরুদ্ধে এবার প্রার্থী হয়েছেন। পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বড় কসবা এলাকার খান বাড়িতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন দ্বন্দ্ব, প্রতিযোগিতা, অবিশ্বাস এমনকি চাঞ্চল্যেরও সৃষ্টি হয়েছে।

কারণ হিসেবে জানা গেছে, পৌর নির্বাচনে দীর্ঘ দিনের স্বজনদের মধ্যে সম্পর্কের চিড় ধরেছে। যে কারণে একই পরিবারের ৫জন প্রার্থী সাধারণ কাউন্সিলর হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। ওই ৫জন প্রার্থীর বাড়ির দুরত্ব ১০০ গজ থেকে ৪০০ গজের মধ্যে।

তারা হচ্ছেন ২ নং ওয়ার্ডের বড় কসবা এলাকার এস্কেন্দার আলী খান ও তার পুত্র মামুন খান, একই বংশের এস্কেন্দার খানের ভাতিজা বর্তমান পৌর কাউন্সিলর কে এম আহসান ইমাম ওরফে খায়রুল খান, মামুনের চাচাতো ভাই মাসুদ খান, সাবেক কাউন্সিলর হাকিম খান।

স্থানীয়রা জানান,বর্তমান কাউন্সিলর কে এম আহসান ইমাম ওরফে খায়রুল খানের সঙ্গে চাচা এস্কেন্দারের পারিবারিকভাবে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। অন্যদের মধ্যেও একিইরকম দ্বন্দ্ব চলছে। পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মামুন খান বলেন, খান বংশের দ্বন্দ্বের কারণে যে যেভাবে পারছে প্রার্থী হয়েছে। তার বাবাও প্রার্থী হয়েছেন। তবে চেষ্টা চলছে ১৩ ডিসেম্বরের আগে প্রত্যাহার করানোর।

এ ব্যাপারে পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর কে এম আহসান ইমাম ওরফে খায়রুল খান বলেন, তারা একই বংশের কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। নিজেদের মধ্যে কিছুটা দ্বন্দ্বের কারণে এমন হয়েছে। তবে অনেকেই প্রত্যাহার করে নেবেন বলে তিনি আশা করছেন।

/এমআর/