‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’

6ef95445726cf05607ffa4165598a262-poro-nirbachon

কুমিল্লার ৬ পৌরসভার মধ্যে তিনটিতে আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রার্থীরা লড়বেন নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এ যেন ঘরের শত্রু বিভীষণ। বিদ্রোহী প্রার্থীরাই মনোনীতদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। জেলার ৬ পৌরসভায় ২৮ জন মেয়র, সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৪৫ জন ও সাধারণ ওয়ার্ডে ২২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এবার কুমিল্লায় মেয়র পদে জামায়াতের কোনও প্রার্থী নেই।

চৌদ্দগ্রাম পৌরসভায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের নির্বাচনি এলাকা। এখানে মেয়র পদে প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান এবং বিদ্রোহী প্রার্থী ইমাম হোসেন পাটোয়ারী। আর বিএনপির প্রার্থী মুহম্মদ গোলাম রাব্বানী (নয়ন বাঙ্গালী)।

হোমনা পৌরসভা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ারে নির্বাচনি এলাকা। এখানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আবদুল লতিফ এবং বিদ্রোহী মো. হানিফ মিয়া ও আলমগীর সরকার। এছাড়া   আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল হাকিম ও স্বতন্ত্র মো. জহিরুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দাউদকান্দি পৌরসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্বাচনি এলাকা। এখানে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত কেএম আই খলিল এবং দলটির বিদ্রোহী সদস্য নুরুল আমিন সরকার। তবে এখানে ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সমর্থকরা বিএনপির বিদ্রোহী নুরুল আমিন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাঈম ইউছুফ সেইন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা জালাল উদ্দিন।

লাকসামে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক আবুল খায়ের, বিএনপির শাহনাজ আক্তার, জাতীয় পার্টির মোখলেছুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নূর মোহাম্মদ।

চান্দিনায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মো. মফিজুল ইসলাম, বিএনপির শাহ্ মোহাম্মদ আলমগীর খান ও স্বতন্ত্র আবদুল মান্নান সরকার।

বরুড়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বাহাদুরুজ্জামান, বিএনপির জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, জাতীয় পার্টির আনু মিয়া মিয়াজী, ইসলামী ফ্রন্টের কবির হোসেন, তরিকত ফেডারেশনের আবুল কালাম আজাদ, জাসদ(ইনু) অজিত কুমার দত্ত ও স্বতন্ত্র আরিফ হোসেন ভূইয়া।

 

/এসটি/