যশোর পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী মারুফুল ইসলামের ওপর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, পৌরসভা নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হবে না। তা সত্ত্বেও এই নির্বাচনের ফল ছিনিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সরকারি দল। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করছে। তাদের হামলা থেকে সাবেক মন্ত্রী, প্রার্থীর স্ত্রীও রেহাই পাচ্ছেন না।
খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শুধু যশোরই নয়, খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির প্রার্থী-সমর্থকদের ওপর হামলা হচ্ছে। অথচ নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন সব কিছু দেখেও না দেখার ভান করছে।
মঞ্জু বলেন, এই নির্বাচন কমিশন মূক ও বধির। তাদের দিয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। এরপরও আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। শত নির্যাতন-অত্যাচারের পরও বিএনপি শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে যশোর পৌরসভার মেয়র তার ওপর হামলার বর্ণনা দেন। হামলায় আহত ছয়জনকে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সহ-সভাপতি রফিকুর রহমান তোতন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসহাক, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম-সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নগর সাধারণ সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
/আরএ/এমএনএইচ/