রিজভী বলেন, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে নিতে সম্প্রতি নতুন আইন পাশ করেছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে বিচারপতিদের অভিশংসন ও অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের পরিবর্তে এখন জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত হবে। এটি স্বাধীন বিচারকার্য পরিচালনায় বাধার সৃষ্টি করবে এবং মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে।
এই আইন পাসের মাধ্যমে সরকার পুরোপুরি বিচারপতিদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি ভীতিকর, চাপ সৃষ্টির জন্য এটি করা হচ্ছে। বিচারপতিরা যেন সরকারের ইচ্ছামত কাজ করেন সেজন্যই এই আইন করা হচ্ছে। বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণের এই আইন পাশ করা হলে সংবিধানের সর্বশেষ স্তম্ভটুকুও বিলীন হয়ে যাবে।
রিজভী আরও বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের তরফ থেকে গণমাধ্যমের ওপর প্রতিনিয়তই নিয়ন্ত্রিত আগ্রাসন চলছে। গণমাধ্যমকে আরও বেশি মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে মিডিয়া মনিটরিং সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে গতকাল জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এ যেন মরার ওপর খাঁড়ার ঘা। প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমেও গণমাধ্যমের গলা টিপে ধরার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন উর রশিদ, সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য জামাল শরীফ হিরুসহ প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে ট্রাকচাপায় ৮ জন নিহত
/এসটিএস/এমও/