মঙ্গলবার (৩১ মে) রাজধানীর ফার্মগেট খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কৃষক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মতিয়া।
তিনি বলেন, ‘জয় তো চ্যালেঞ্জ দিয়েছে, কবে কোথায় কখন? এইটার আর কোনও উত্তর পাই না। আমরা কিন্তু বিবিসিকে অনেক পছন্দ করি। মুক্তিযুদ্ধের সময় আর কিছু না হোক ওই রেডিওটা লাগাইয়া আমরা বিবিসি শুনতাম। সেই বিবিসি একেবারে কোনও রকম যাচাই-বাছাই ছাড়া এই ধরণের একটা খবর পরিবেশন করছে। এইটা কি বিবিসিরে মানায়?’
এ সময় একটি কবিতার উদ্ধৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসতে চাই, তুমি ভালোবাসার যোগ্য হও। বিবিসিরে আমরা ভালোবাসতে চাই। তারা ভালোবাসার জায়গাটুকু রাখুক এটাই চাই। আজকে আমরা চ্যালেঞ্জ দিয়েছি। এই চ্যালেঞ্জ তাদের প্রমাণ করতে হবে।’
বিশ্ব ব্যাংকের সমালোচনা করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সেই দিন ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিনিধিরা এসেছিল কৃষি মন্ত্রণালয়ে। এখন অবশ্য একটু ভালো কথা বলতে চায় তারা। মানে পদ্মাসেতু নিয়ে যে অপকর্মটি করেছিল, সে অপকর্মের জন্য ‘থুক্কু’ বলার মতো অবস্থা।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা থাকলে দেশ এগিয়ে যায়। আর অন্যরা আসলে দেশে একটা ছ্যাড়া-বেড়া লাগে। আমরা সবাই জানি সারা পৃথিবীতে একটা অস্থিরতা আছে। এই অস্থিরতা এতদূর যে হোয়াইট হাউজের পাশে গুলি হয়ে যায়। কই তাতে কি আমেরিকা ডুইবা গেছে? বাংলাদেশে কিছু হইলে একেক জন আইসা খুব আহা-উহু করার কোনও দরকার নাই। আমাদের চ্যালেঞ্জ আমরা নিয়েছি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।’
ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মাকসুদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দলটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক, আন্তর্জাতিক বিষয়খ সম্পাদক কর্নেল (অব.) ফারুক খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কৃষক লীগ সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা প্রমুখ।
আরও পড়ুন-
ইউপি নির্বাচন দলীয় হওয়ায় এতো প্রাণহানি
১ জুন থেকে সিম বন্ধ হলেও নিবন্ধন করে চালু করা যাবে
/পিএইচসি/এফএস/