শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার রাজনীতি উন্নয়নের মূলনীতি ও নতুন বাজেটে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এবারের বাজেট দেখে বিএনপি’র নেতাদের মন খারাপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের বাজেট প্রতিক্রিয়া হচ্ছে ‘এটা অবৈধ সরকারের বাজেট।’ তাই আমি বলবো, যদি অবৈধ সরকারের বাজেট হতো তাহলে বিশ্বসংস্থা বা আইএমএফ ও এডিপি সাহায্য করতো না? এমনকি বৈদেশিক রাষ্ট্রও স্বীকৃতি দিতোনা? সবাই মেনে নিয়েছে শুধু খালেদা জিয়াই মানতে পারেনি। তার মন খারাপ।’
এ সময় তিনি বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রেজভী আহমেদের বাজেট প্রতিক্রিয়ার সমালোচনা করে বলেন, ‘তিনি বাজেট না পড়েই তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তার বাজেট প্রতিক্রিয়া হচ্ছে বিগত বছরগুলোর মতো একই। তিনি অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য না শুনেই আগে থেকে লিখে রাখা বাজেট প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।’
বিএনপি’র এ নেতার সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘তিনি বলছেন (রিজভী) দারিদ্রদের জন্য এবারের বাজেটে কিছুই রাখা হয়নি। কিন্তু আমি বলবো, এবারের বাজেটের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে, সামাজিক নিরাপত্তাখাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তাবলয় বৃদ্ধি করা।’
তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, ‘বিএনপির নেতাদের মন খারাপ। কারণ তাদের রাজনীতি হচ্ছে পেট্রোলবোমা বাহিনীদের সঙ্গে নিয়ে। তারা যাদের ওপর ভর করে রাজনীতি করে, সেই পেট্রোলবোমা বাহিনীদের জন্য কোনও বরাদ্দ নেই!’
সাবেক এ মন্ত্রী দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, ‘গত বছর শেষের দিকে বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের নিয়ে একটি সম্মেলন হয়। আর সেখানে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, এদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে আপনার পরামর্শ কি? জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা যেভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে তা এখনও আমরা করতে পারেনি। তাই আমি এখানে কোনও পরামর্শ দিতে আসেনি। শিখতে এসেছি।’
হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি দেখছে, ২০১৯ সালেও তাদের কোনও সম্ভাবনা নাই ক্ষমতায় আসার।তাই এখন তারা দেশের ভেতরে একটা বড় ধরণের গন্ডগোল পাকানোর জন্য, ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মুসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।’
সংগঠনের সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন টয়েলের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে এম আব্দুল মোমেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা খালিকুজ্জামান, কুয়েত আওয়ামী লীগের সভাপতি সাদেক হোসেন প্রমুখ।
/এসআইএস/এসএনএইচ/