দেশ স্বাধীনের ‘উভয় পথই’ খোলা রেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু : লেনিন

নূহ-উল-আলম লেনিনআওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন বলেছেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য গণতান্ত্রিক কিংবা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বা সশস্ত্র আন্দোলন উভয় পথই খোলা রেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এবিনিউজ২৪ডটকম আয়োজিত ‘ছয় দফার পাঁচ দশক’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। 
আরও পড়তে পারেন: তনুর ডিএনএ প্রতিবেদন হস্তান্তর



প্রখ্যাত সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট ও অন্নদা শঙ্কর রায়-এর সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এই দুই সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্ন করেছিলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা আপনি কবে থেকে ভাবছেন? তখন বঙ্গবন্ধু বলেন, পাকিস্তান যেদিন থেকে স্বাধীন হয়েছিল সেদিন থেকেই।
ছয় দফা প্রসঙ্গে লেনিন বলেন, ছয় দফা হচ্ছে একটি রাজনৈতিক দাবি যে, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে আর থাকতে চাই না। ছয় দফা হচ্ছে আসলে এক দফাই, ছয় দফা বলা হয়েছিল কৌশলগত কারণে।
লাহোর প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা প্রস্তাবের মধ্যে লাহোর প্রস্তাবের কথা বলা হলেও বাস্তবে কোনও দিনই তিনি এ বিষয়টি আলোচনায় আনেননি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন,  ছয় দফা হচ্ছে বাঙালি জাতির মুক্তির মহাসনদ। পাকিস্তানি ঔপনিবেশ শাসন ভেঙে বাংলাদেশ স্বাধীন হবে এ লক্ষ্যেই ছয় দফা তুলে ধরা হয়েছিল।

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ৩টি দলিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, লাহোর প্রস্তাব, ৬৬’র ছয় দফা এবং ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকারের ঘোষণাপত্র। তাই দল-মত নির্বিশেষে সকলকেই ছয় দফা দিবস পালন করা উচিত।
আরও পড়তে পারেন: ওসিদের ওপর ক্ষুব্ধ পুলিশ সদরদফতর

তিনি বলেন, ছয় দফা বঙ্গবন্ধুর ভাষায় ছিল ‘বাঁচার দাবি’। সে কারণে সব দলের লোকেরাই ৭ জুন রাস্তায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।

সুভাস সিংহ রায়ের সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, কর্নেল (অব) শওকত আলী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর ব্যাপারী প্রমুখ।

এসআইএস/ এমএসএম /