সরকার গণতন্ত্র ধ্বংসের মতলবে আছে: মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরবিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা অর্থ পাচার মামলায় যে রায় দেওয়া হয়েছে, তা বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের মতলব হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে শেষ করে দেওয়া। আর এ কারণেই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এ ধরনের রায় দেওয়া হয়েছে।  রবিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে জজ আদালতের দেওয়া বেখসুর খালাসের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 
‘ভোটর বিহীন সরকার কর্তৃক রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলকভাবে দায়ের করা মুদ্রা পাচার মামলায় তারেক রহমানের সাজা দেওয়ার প্রতিবাদ’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর বিএনপি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তারেক জিয়া শুধু খালেদা জিয়ার ছেলে নন, তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলের পতাকার ধারক ও বাহক। তারেক জিয়াকে রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতেই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মামলার রায় দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, সরকার জাতীয় ঐক্যে বিশ্বাস করে না। আর তারাই জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদকে উস্কে দিচ্ছে। সারাদেশ ও জাতিকে আজকে মামলায় ফেলে দিয়েছে সরকার। তাই আমি বলি আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে আজ দেওলিয়া হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশকে ধ্বংসের চক্রান্ত করা হচ্ছে। আর অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য সেই চক্রান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চলছে।

বিদেশিরা বাংলাদেশিদের সঙ্গে আছে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে ফখরুল ইসলাম বলেন, হ্যাঁ, বিদেশিরা এ দেশের জনগণের সঙ্গে আছে এবং থাকবে। তাই বলে কোনও স্বৈরাচারী সরকারের সঙ্গে তারা নেই।

তিন কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে বিচারের রায়কে প্রভাবিত করা হয়েছে শেখ সেলিমের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বাক মির্জা আব্বাস বলেন, ঘুষ দেওয়া হয়েছে, না উচ্চ আদালতের রায় দিয়ে তারেক জিয়া, বিচারক ও আদালতকে অপমাণিত করা হয়েছে? জিয়াউর রহমানকে যে কারণে হত্যা করা হয়েছে আজ সে কারণেই তারেক রহমানের মামলার রায় দেওয়া হয়েছে।  সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকারের খুব জরুরি হয়ে পড়েছে বিএনপির নেতাদের জেলে নেওয়া।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন,  তারেক রহমান আমাকে বলেছেন, আমাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার দরকার নেই। আপনারা গণতন্ত্র উদ্ধারের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাহলে দেশ, জনগণ ও আমরা বাঁচব। আর এটাই হচ্ছেন জিয়াউর রহমানের ছেলে।

আরও পড়তে পারেন: ছাত্রদলের ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

/এসআইএস/এসএনএইচ/এমএনএইচ/